ঢাকাFriday , 30 May 2025
  1. অন্যান্য
  2. অর্থনীতি
  3. আইন বিচার
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলামিক জীবন
  6. ক্যাম্পাস
  7. খেলাধুলা
  8. গণমাধ্যম
  9. জনপ্রিয় সংবাদ
  10. জাতীয়
  11. ফটো গ্যালারি
  12. বিনোদন
  13. ভি‌ডিও
  14. ভিডিও গ্যালারি
  15. রাজধানী
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এনবিআর চেয়ারম্যানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, অপসারণের দাবি সংস্কার ঐক্য পরিষদের

Link Copied!

 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে রাজস্ব ভবনে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান চেয়ারম্যান বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সরকারের দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন। একই সঙ্গে তার ‘ষড়যন্ত্রমূলক অবস্থান’ পরিস্থিতিকে জটিল করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “তার অবস্থান ইতিবাচক হলে দীর্ঘদিন আগেই সমস্যার সমাধান হতো।”

এ প্রেক্ষিতে চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে অবিলম্বে অপসারণ করার দাবি জানিয়ে রাজস্ব ভবনে তার অনুপ্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঐক্য পরিষদ। পাশাপাশি রাজস্ব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ ও দক্ষ কর্মকর্তাকে স্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ারও দাবি জানানো হয়েছে।

এর আগে, ২৫ মে রাতে অর্থ উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনবিআর বিলুপ্ত করা হবে না, বরং এটি আরও শক্তিশালী ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে রাজস্ব নীতির জন্য পৃথক একটি নতুন সংস্থা গঠনের পরিকল্পনাও জানানো হয়।

এই ঘোষণা স্বাগত জানিয়ে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ ২৬ মে থেকে পূর্বঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতি কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয় এবং রাজস্ব দপ্তরগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়। তবে চেয়ারম্যান অপসারণের দাবিতে পরিষদ অনড় থাকে। ২৯ মে পর্যন্ত এই দাবি পূরণ না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করে তারা নতুন করে কর্মসূচির ঘোষণা দেয়।

চার দফা দাবি, তিনটি পূরণ

ঐক্য পরিষদের চারটি মূল দাবি ছিল—

1. ‘জাতীয় রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ-২০২৫’ অবিলম্বে বাতিল।

2. বর্তমান এনবিআর চেয়ারম্যানকে অপসারণ।

3. রাজস্ব সংস্কার পরামর্শক কমিটির সুপারিশ ওয়েবসাইটে প্রকাশ।

4. সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের মতামত নিয়ে টেকসই সংস্কার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

 

সংগঠনের দাবি অনুযায়ী, চার দফার মধ্যে তিনটি পূরণ হলেও চেয়ারম্যান অপসারণের বিষয়টি অনিষ্পন্ন থাকায় আন্দোলন আংশিকভাবে বহাল থাকবে বলে জানানো হয়।

চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সংবাদ বিবৃতিতে এনবিআর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগও তোলা হয়েছে। এতে বলা হয়, “তিনি এনবিআরের মধ্যে অবিশ্বাস ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন এবং কর ফাঁকির সুযোগ দিয়েছেন।”
তাছাড়া, হঠাৎ ভ্যাট হার বাড়ানো, অডিট কার্যক্রম বন্ধ রাখা, এবং রাজস্ব আদায়ে নেতিবাচক প্রভাব রাখার অভিযোগও উত্থাপন করা হয়।

আন্দোলনের পটভূমি

গত ১৩ মে ‘এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে এনবিআর ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে কলম বিরতির ঘোষণা আসে। এরপর ১৪–২৫ মে পর্যন্ত বিভিন্ন দফায় কর্মসূচি পালিত হয়। ২৪ মে থেকে পূর্ণাঙ্গ কর্মবিরতিও শুরু হয়। ২৫ মে সরকারের আশ্বাসে তা সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করা হয়।

তবে ২৬ মে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিষদ জানায়, যদি ২৯ মে পর্যন্ত চেয়ারম্যান অপসারণ না হয়, তাহলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি আবার শুরু হবে। সেই মোতাবেক বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যানকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “চেয়ারম্যান অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত অসহযোগ কর্মসূচি বহাল থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।”

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।